আমরা কারা এবং কেন t66 তৈরি হয়েছিল?
বাংলাদেশে অনলাইন বেটিংয়ের দুনিয়া একসময় ছিল অনিশ্চয়তায় ভরা। সঠিক পেমেন্ট পাওয়া যেত না, বাংলায় সাপোর্ট পাওয়া কঠিন ছিল, আর নিরাপত্তার প্রশ্নে বেশিরভাগ প্ল্যাটফর্মে আস্থা রাখাই যেত না। এই সমস্যাগুলো সমাধান করার জন্যই ২০১৮ সালে t66-এর যাত্রা শুরু।
আমাদের প্রতিষ্ঠাতারা নিজেরাও এক সময়ের বেটার ছিলেন। তারা জানতেন একজন বাংলাদেশি বেটার ঠিক কী চান — দ্রুত জমা ও উইথড্রয়াল, বাংলায় সাপোর্ট, সঠিক অডস আর একটা প্ল্যাটফর্ম যেটা রাত তিনটেতেও কাজ করে। সেই দৃষ্টিভঙ্গি থেকেই t66 গড়ে উঠেছে।
আজ t66 বাংলাদেশের অন্যতম বড় অনলাইন বেটিং ও গেমিং প্ল্যাটফর্ম। পাঁচ লাখেরও বেশি নিবন্ধিত সদস্য, ২০টির বেশি স্পোর্টস বিভাগ এবং লাইভ ক্যাসিনো — সব মিলিয়ে t66 এখন একটি পরিপূর্ণ বিনোদন গন্তব্য।
আমাদের লক্ষ্য
t66-এর লক্ষ্য সহজ: প্রতিটি বাংলাদেশি বেটার যেন একটা নিরাপদ, স্বচ্ছ ও মজার পরিবেশে বেটিং উপভোগ করতে পারেন। আমরা বিশ্বাস করি বেটিং হওয়া উচিত বিনোদনের একটা অংশ — চাপের উৎস নয়। তাই আমাদের প্রতিটি ফিচার ডিজাইন করা হয়েছে ব্যবহারকারীর সুবিধার কথা মাথায় রেখে।
নিরাপত্তা আমাদের অগ্রাধিকার
t66-এ আপনার অ্যাকাউন্ট এবং আর্থিক তথ্য সুরক্ষিত রাখতে আমরা আন্তর্জাতিক মানের SSL এনক্রিপশন ব্যবহার করি। দুই-স্তরের যাচাইকরণ ব্যবস্থা আপনার অ্যাকাউন্টকে অননুমোদিত প্রবেশ থেকে রক্ষা করে। প্রতিটি লেনদেন নিরাপদ এবং স্বচ্ছভাবে পরিচালিত হয়।
আমরা আন্তর্জাতিক লাইসেন্সপ্রাপ্ত এবং নিয়মিত তৃতীয় পক্ষের অডিটের মাধ্যমে আমাদের সিস্টেমের ন্যায্যতা নিশ্চিত করা হয়। গেমের ফলাফল নির্ধারণে RNG (র্যান্ডম নাম্বার জেনারেটর) ব্যবহার করা হয় যা কোনোভাবেই ম্যানিপুলেট করা সম্ভব নয়।
বাংলাদেশকে কেন্দ্রে রাখা
t66 শুধু বাংলাদেশের জন্য তৈরি — এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় পার্থক্য। আমাদের পুরো ইন্টারফেস বাংলায়, সাপোর্ট টিম বাংলায় কথা বলে, এবং পেমেন্ট পদ্ধতিগুলো বাংলাদেশের মানুষের জন্য সবচেয়ে পরিচিত — Mobile Pay, Nagad, Rocket। ক্রিকেটকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয় কারণ এটাই এই দেশের সবচেয়ে পছন্দের খেলা।
t66 দায়িত্বশীল গেমিংয়ে বিশ্বাস করে। আমাদের প্ল্যাটফর্মে বেটিং সীমা নির্ধারণ, স্ব-বর্জন এবং অ্যাকাউন্ট বিরতির সুবিধা আছে। বিস্তারিত জানতে দায়িত্বশীল খেলা পাতায় যান।